Tuesday, September 29
Shadow

Month: March 2020

তায়াম্মুম সম্পর্কে প্রচলিত ১০ টি প্রশ্ন ও উত্তরঃ

তায়াম্মুম সম্পর্কে প্রচলিত ১০ টি প্রশ্ন ও উত্তরঃ

সালাত
তায়াম্মুম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা ও তায়াম্মুম করার পদ্ধতি। পবিত্রতা ও তায়াম্মুম সম্পর্কিত প্রচলিত ১০ টি প্রশ্ন এবং সেই প্রশ্নের উত্তরঃ ইসলাম যে একটি মানব হিতৈষী ধর্ম তাঁর অন্যতম উধাহরন হল তায়াম্মুমের বিধান। মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য মহান আল্লাহ কর্তৃক তাঁর বান্দাদের জন্য এ বিধান দেওয়া হয়েছে। তায়াম্মুমের সঠিক ধারনা না থাকার কারনে আমাদের কাছে শরীয়তের বিধাগুলো কঠিন মনে হয়। তাই আজকে পবিত্রতা ও তায়াম্মুম সম্পর্কিত প্রচলিত ১০ টি প্রশ্ন এবং সেই প্রশ্নের উত্তর আপনাদের সম্মুখে তুলে ধরলাম। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়েছে “প্রসিদ্ধ ও বড় বড় ফিকহি বোর্ড”। উত্তরের পাশেই তার নাম উল্লেখ করা রয়েছে।   ০১। প্রশ্নঃ তায়াম্মুম করার নিয়ম কি? উত্তরঃ সহজ উপায় হল- একবার উভয় হাতের তালু জমিনের উপর মেরে সমস্ত মুখমন্ডল মাসেহ করবে। ঘড়ি, আংটি, চুড়ি ইত্যাদির জায়গায় ভাল করে মাসেহ করবে। পশম পরিমাণ...
তায়াম্মুমের বিস্তারিত আলোচনা ও করার পদ্ধতি

তায়াম্মুমের বিস্তারিত আলোচনা ও করার পদ্ধতি

সালাত
আলোচ্য বিষয়সমূহঃ তায়াম্মুম কি? তায়াম্মুমের হুকুম, তায়াম্মুম শরীয়তভুক্ত হওয়ার দলিল, তায়াম্মুম শরীয়তভুক্ত হওয়ার হিকমত, তায়াম্মুম করা কখন বৈধ? তায়াম্মুমের বর্ণনা, তায়াম্মুমের ফরজসমুহ, তায়াম্মুমের সুন্নতসমূহ, যেসব কারণে তায়াম্মুম বাতিল হয়ে যায় পবিত্রতা ও তায়াম্মুম সম্পর্কিত প্রচলিত ১০ টি প্রশ্ন এবং সেই প্রশ্নের উত্তরঃ তায়াম্মুমঃ আভিধানিক অর্থে তায়াম্মুম, কোনো বিষয়ের প্রতি ধাবিত হওয়া ও তা করার ইচ্ছা করা শরয়ী পরিভাষায় তায়াম্মু্‌ম, পবিত্রতা অর্জনের উদ্দেশে চেহারা ও দু’হাত পবিত্র মাটি দিয়ে মাসেহ করা। তায়াম্মুমের হুকুমঃ পানির অনুপস্থিতে অথবা পানি ব্যবহার করা অসম্ভব হলে যেসব বিষয়ের জন্য পবিত্রতা ফরজ সেসবের জন্য তায়াম্মুম করা ফরজ। আর যেসবের জন্য পবিত্রতা মুস্তাহাব সেসবের জন্য তায়াম্মুম করা মুস্তাহাব, যেমন কুরআন তিলাওয়াত করা। তায়াম্মুম শরীয়তভুক্ত হওয়ার দলিলঃ ...
তাশাহহুদ এর বাংলা উচ্চারণ, অর্থ, ইতিহাস ও গুরুত্ব।

তাশাহহুদ এর বাংলা উচ্চারণ, অর্থ, ইতিহাস ও গুরুত্ব।

সালাত
 আত্তাহিয়াতু: আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াস্ সালাওয়াতু, ওয়াত্ তাইয়িবাতু। আস্সালামু 'আলাইকা আইয়্যুহান নাবীয়্যু ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আস্সালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস্ সলিহীন। আশহাদু আল-লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আননা মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু। অর্থ : আমাদের সকল সালাম শ্রদ্ধা, আমাদের সব নামায এবং সকল প্রকার পবিত্রতা একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে। হে নবী, আপনার প্রতি সালাম, আপনার উপর আল্লাহর রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত হউক। আমাদের এবং আল্লাহর সকল নেক বান্দাদের উপর আল্লাহ্র রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত হউক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া (ইবাদাতের যোগ্য) আর কেউ নেই, আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, হযরত মুহাম্মাদ সা. আল্লাহর বান্দা এবং রাসূল। নামাজের তাশাহুদে বর্ণিত শবে মেরাজে আল্লাহ ও তাঁর রাছুলের কথোপকথন: ইতিহাস, ব্যাখ্যা গুরুত্ব ও মাসয়ালা তাশাহহুদ (আত্তাহিয়্যাতু...
সূরা ফালাক্ব ও নাস – অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনার সূরা।

সূরা ফালাক্ব ও নাস – অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনার সূরা।

জরুরী দোয়া ও আয়াত
সব ধরনের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনার দুই সূরা পবিত্র কোরআনে কারিমের শেষের দু’টি সূরাকে মুআউবিয়াতায়ন বলে। এ দুই সূরার একটির নাম সূরা ফালাক এবং অন্যটির নাম সূরা নাস। উভয় সূরা মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে। ফালাক ১১৩ নম্বর সূরা, আয়াত ৫টি, রুকু ১টি আর সূরা নাসের আয়াত ৬টি, রুকু ১টি। এই দুই সূরার মাধ্যমে কোরআন শরিফ শেষ করা হয়েছে। এই দুই সূরার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আশ্রয় প্রার্থনার কথা বলা হয়েছে। অর্থা‍ৎ প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সব ধরনের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া। আর আল্লাহতায়ালা এই দুই সূরার মাঝে সব অনিষ্ট থেকে হেফাজতের অসীম শক্তি ও প্রভাব রেখেছেন এবং বিভিন্ন হাদিসে এ সূরার ফজিলত উল্লেখ করা হয়েছে। নিচে কিছু ফজিলত উল্লেখ করা হলো। এক. হজরত উকবা ইবনে আমের (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমার কি জানা নেই আজ রাতে আমার ওপর যে আয়াতগুলো নাজিল হয়েছে এগুলোর ...