Sunday, June 14
Shadow

Month: December 2019

নামাজের ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত, মুস্তাহাব, মাকরূহ ও নামাজ ভঙ্গের কারনসমুহ

নামাজের ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত, মুস্তাহাব, মাকরূহ ও নামাজ ভঙ্গের কারনসমুহ

সালাত
নামাজের ফরজসমূহ (আরকান ও আহকাম)ঃ আহকাম ও আরকান মিলিয়ে নামাজের ফরজ মোট ১৩টি। নামাজ শুরু হওয়ার আগে বাইরে যেসব কাজ ফরজ, সেগুলোকে নামাজের আহকাম বলা হয়।  নামাজের আহকাম ৭টি। যথাঃ ১. শরীর পাক হওয়াঃ  এ জন্য অজুর দরকার হলে অজু বা তায়াম্মুম করতে হবে, গোসলের প্রয়োজন হলে গোসল বা তায়াম্মুম করতে হবে। এ প্রসঙ্গে কুরআনে আল্লাহ বলেনঃ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِذَا قُمْتُمْ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ فَٱغْسِلُوا۟ وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى ٱلْمَرَافِقِ وَٱمْسَحُوا۟ بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى ٱلْكَعْبَيْنِ ۚ হে মুমিনগণ, যখন তোমরা সালাতে দণ্ডায়মান হতে চাও, তখন তোমাদের মুখ ও কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত কর, মাথা মাসেহ কর এবং টাখনু পর্যন্ত পা (ধৌত কর)।  (সূরা মায়েদাঃ ৬) ২. কাপড় পাক হওয়াঃ  পরনের জামা, পায়জামা, লুঙ্গি, টুপি, শাড়ি ইত্যাদি পাক পবিত্র হওয়া।এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেনঃ وَثِيَابَكَ فَطَ...
এপ্রিল ফুলের ইতিহাস ও কেন উদযাপন করবেন না।

এপ্রিল ফুলের ইতিহাস ও কেন উদযাপন করবেন না।

জীবন বিধান
মূল: শাইখুল ইসলাম মুফতি তাকী উসমানী অনুবাদ: মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী  এপ্রিল ফুল উদযাপন পশ্চিমাদের অন্ধ অয়ানুগত্যের প্রবণতা আমাদের সমাজে যেসব প্রথার প্রচলন ঘটিয়েছে তার অন্যতম হল, এপ্রিল ফুল উদযাপন। এই প্রথার অধীনে এপ্রিলের প্রথম তারিখে মিথ্যা বলে কাউকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানানোকে শুধু বৈধ মনে করা হয় না; বরং একে রীতিমত একটি কৃতিত্ব মনে করা হয়। যে যত বেশি নিপুণ এবং চতুরতাপূর্ণভাবে অন্যজনকে বড় ধোঁকা দিতে পারে তাকে তত অধিক প্রশংসার যোগ্য এবং পহেলা এপ্রিল পালনে, এর আনন্দ উদযাপনে যথাযোগ্য সফল বলে মনে করা হয়! মানুষকে ধোঁকা দেয়ার এই রুচি–যাকে সত্যিকার অর্থে অপরাধ ও কুরুচিপূর্ণ কর্মই বলা উচিত–জানা নেই, এতে কত মানুষের জান-মালে অনর্থক ক্ষতি সাধন হয়। এমনকি এর পরিণামে মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে! ধোঁকা দিয়ে বোকা বানাতে গিয়ে তাকে এমন মর্মবেদনা ও পীড়াদায়ক মিথ্যা দুঃসংবাদ শুনিয়ে দেয়া হয়, য...
নামাজে যেভাবে মনোযোগ ধরে রাখবেন।

নামাজে যেভাবে মনোযোগ ধরে রাখবেন।

সালাত
জিজ্ঞাসা: আমি যখন নামাজ পড়ি তখনই আমার মাথায় বাজে চিন্তা-ভাবনা আসে। যেমন আমি আজ সারাদিন কী করেছি ,কালকে কী করব ইত্যাদি। কাজের কারণ বেশি সময় বাহিরে রাস্তায় চলাচল করে থাকি।তো অনেক কিছুই দেখি নামাজে এইসব কথা মনে পড়ে। অনেক সময় ভুলে যাই কয় রাকাত নামাজ পড়েছি, এসব যাতে মনে না পড়ে সেজন্য আমি কী করতে পারি? জানালে উপকৃত হব।  জবাব: এটা এক তিক্ত বাস্তবতা যে,  আমরা অনেকেই এই রোগের স্বীকার। এক হাদীসে রাসূললুল্লাহ (সাঃ) এটিকে ‘শয়তানের ছিনতাইকম’ বলেছেন। এব্যাপারে ইমাম আবু হামিদ আল গাজালি(রহ.) তাঁর বিখ্যাত ‘এহইয়াউ উলুমিদ্দীন’ গ্রন্থে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তিনি ছয়টি বিষয়ের কথা বর্ণনা করেন, যা না থাকলে নামাজে  মনোযোগী হওয়া যায় না। প্রথম বিষয় : নামাজে ‘হুজুরে দিল’ বা একাগ্র থাকা ; এটি নামাজের প্রাণ। রাসূললুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ‘আল্লাহর ইবাদত কর এমনভাবে, যেন তাঁকে তুমি দেখতে পাচ্ছ। আর যদি দেখতে ...
দোয়া কুনুতের বাংলা অর্থ ও উচ্চারণ

দোয়া কুনুতের বাংলা অর্থ ও উচ্চারণ

জরুরী দোয়া ও আয়াত
দোয়া কুনুত বিতরের নামাযে পড়তে হয়ঃ দোয়া কুনুত আরবীঃ بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ اَللَّمُمَّ اِنَّ نَسْتَعِيْنُكَ وَنَسْتَغْفِرُكَ وَنُؤْمِنُ بِكَ وَنَتَوَكَّلُ عَلَيْكَ وَنُثْنِىْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَنَشْكُرُكَ وَلاَ نَكْفُرُكَ وَنَخْلَعُ وَنَتْرُكُ مَنْ يَّفْجُرُكَ-اَللَّهُمَّ اِيَّاكَ نَعْبُدُ وَلَكَ نُصَلِّىْ وَنَسْجُدُ وَاِلَيْكَ نَسْعَى وَنَحْفِدُ وَنَرْجُوْ رَحْمَتَكَ وَنَخْشَى عَذَابَكَ اِنَّ عَذَابَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ দোয়া কুনুতের বাংলা উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্না নাস্‌তাঈ'নুকা, ওয়া নাস্‌তাগ্‌ফিরুকা, ওয়া নু’'মিনু বিকা, ওয়া নাতাওয়াক্কালু ‘আলাইকা, ওয়া নুছনী আলাইকাল খাইর। ওয়া নাশ কুরুকা, ওয়ালা নাকফুরুকা, ওয়া নাখলাউ', ওয়া নাতরুকু মাঁই ইয়াফজুরুকা। আল্লাহুম্মা ইয়্যাকা না’বুদু ওয়া লাকানুসল্লী, ওয়া নাসজুদু, ওয়া ইলাইকা নাস’আ, - ওয়া নাহফিদু, ওয়া নারজু রাহমাতাকা, ওয়া নাখশা - ...
আয়াতুল কুরসীর বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত

আয়াতুল কুরসীর বাংলা উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত

জরুরী দোয়া ও আয়াত
শয়তানের প্রভাব থেকে বাঁচার আয়াত: হযরত আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত, রাসূল সা. বলেছেন, সূরা বাকারায় একটি শ্রেষ্ঠ আয়াত রয়েছে, যে ঘরে আয়াতুল কুরসী পাঠ করা হবে সেখান থেকে শয়তান পালাতে থাকে। [মুসতাদরাকে হাকিম]। তাই এখনই পবিত্র আয়তুল কুরসীটি মুখস্থ করে নিন। আয়াতুল কুরসি কুরআনুল কারিমের সবচেয়ে বড় সূরা ‘সূরা আল-বাক্বারার ২৫৫ নং আয়াত’। যা সমগ্র কুরআনের সবচেয়ে বড় আয়াতও বটে। এ আয়াতের রয়েছে অনেক ফজিলত। হাদিসের ভাষায় আয়াতুল কুরসি পাঠের বিশেষ চার ফজিলত ১. হজরত আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজ শেষে আয়াতুল কুরসি পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকে না। (নাসাঈ) ২. হজরত আলী  রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর ...
সূরা আন নাস অর্থ, নামকরণ, শানে নুযূল, পটভূমি ও বিষয়বস্তু

সূরা আন নাস অর্থ, নামকরণ, শানে নুযূল, পটভূমি ও বিষয়বস্তু

আল কুরআন
নামকরণ : কুরআন মজীদের এ শেষ সূরা দু’টি আলাদ আলাদা সূরা ঠিকই এবং মূল লিপিতে এ সূরা দু’টি ভিন্ন ভিন্ন নামেই লিখিত হয়েছে , কিন্তু এদের পারস্পরিক সম্পর্ক এত গভীর এবং উভয়ের বিষয়বস্তু পরস্পরের সাথে এত বেশী নিকট সম্পর্ক রাখে যার ফলে এদের একটি যুক্ত নাম “ মু’আওবিযাতাইন ” ( আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার দু’টি সূরা ) রাখা হয়েছে । ইমাম বায়হাকী তাঁর “ দালায়েলে নবুওয়াত ” বইতে লিখেছেন : এ সূরা দু’টি নাযিলও হয়েছে একই সাথে । তাই উভয়ের যুক্তনাম রাখা হয়েছে “ মু’আওবিযাতাইন ” । আমরা এখানে উভয়ের জন্য একটি সাধারণ ভূমিকা লিখছি। কারণ , এদের উভয়ের সাথে সম্পর্কিত বিষয়বলী ও বক্তব্য সম্পূর্ণ একই পর্যায়ভুক্ত । তবে ভূমিকায় একত্র করার পর সামনের দিকে প্রত্যেকের আলাদা ব্যাখ্যা করা হবে। নাযিলের সময় - কাল হযরত হাসান বসরী , ইকরামা , আতা ও জাবের ইবনে যায়েদ বলেন , এ সূরা দু’টি মক্কী। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) থেকেও ...
সূরা আল ফালাক অর্থ, নামকরণ, শানে নুযূল, পটভূমি ও বিষয়বস্তু

সূরা আল ফালাক অর্থ, নামকরণ, শানে নুযূল, পটভূমি ও বিষয়বস্তু

আল কুরআন
নামকরণ : কুরআন মজীদের এ শেষ সূরা দু’টি আলাদ আলাদা সূরা ঠিকই এবং মূল লিপিতে এ সূরা দু’টি ভিন্ন ভিন্ন নামেই লিখিত হয়েছে , কিন্তু এদের পারস্পরিক সম্পর্ক এত গভীর এবং উভয়ের বিষয়বস্তু পরস্পরের সাথে এত বেশী নিকট সম্পর্ক রাখে যার ফলে এদের একটি যুক্ত নাম “ মু’আওবিযাতাইন ” ( আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার দু’টি সূরা ) রাখা হয়েছে । ইমাম বায়হাকী তাঁর “ দালায়েলে নবুওয়াত ” বইতে লিখেছেন : এ সূরা দু’টি নাযিলও হয়েছে একই সাথে । তাই উভয়ের যুক্তনাম রাখা হয়েছে “ মু’আওবিযাতাইন ” । আমরা এখানে উভয়ের জন্য একটি সাধারণ ভূমিকা লিখছি। কারণ , এদের উভয়ের সাথে সম্পর্কিত বিষয়বলী ও বক্তব্য সম্পূর্ণ একই পর্যায়ভুক্ত । তবে ভূমিকায় একত্র করার পর সামনের দিকে প্রত্যেকের আলাদা ব্যাখ্যা করা হবে। নাযিলের সময় - কাল হযরত হাসান বসরী , ইকরামা , আতা ও জাবের ইবনে যায়েদ বলেন , এ সূরা দু’টি মক্কী। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) থেকেও ...
সূরা আল ইখলাস অর্থ, নামকরণ, শানে নুযূল, পটভূমি ও বিষয়বস্তু

সূরা আল ইখলাস অর্থ, নামকরণ, শানে নুযূল, পটভূমি ও বিষয়বস্তু

আল কুরআন
নামকরণ : ইখলাস শুধু এ সূরাটির নামই নয় ,এখানে আলোচ্য বিষয়বস্তুর শিরোনামও । কারণ , এখানে খালেস তথা নির্ভেজাল তাওহীদের আলোচনা করা হয়েছে। কুরআন মজীদের অন্যান্য সূরার ক্ষেত্রে সাধারণত সেখানে ব্যবহৃত কোন শব্দের মাধ্যমে তার নামকরণ করতে দেখা গেছে। কিন্তু এ সূরাটিতে ইখলাস শব্দ কোথাও ব্যবহৃত হয়নি। কাজেই এর এ নামকরণ করা হয়েছে এর অর্থের ভিত্তিতে। যে ব্যক্তি এ সূরাটির বক্তব্য অনুধাবন করে এর শিক্ষার প্রতি ঈমান আনবে , সে শিরক থেকে মুক্তি লাভ করে খালেস তাওহীদের আলোকে নিজেকে উদ্ভাসিত করবে। নাযিলের সময়- কাল এর মক্কী ও মাদানী হবার ব্যাপারে মতভেদ আছে। এ সূরাটি নাযিল হবার কারণ হিসেবে যেসব হাদীস উল্লেখিত হয়েছে সেগুলোর ভিত্তিতেই এ মতভেদ দেখা দিয়েছে। নীচে পর্যায়ক্রমে সেগুলো উল্লেখ করছি : (১) হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) বর্ণনা করেন , কুরাইশরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলে , আপনার ...
সূরা আল লাহাব অর্থ, নামকরণ, শানে নুযূল, পটভূমি ও বিষয়বস্তু

সূরা আল লাহাব অর্থ, নামকরণ, শানে নুযূল, পটভূমি ও বিষয়বস্তু

আল কুরআন
নামকরণ : প্রথম আয়াতের লাহাব ( আরবী ------) শব্দকে এ সূরার নাম হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। নাযিলের সময় -কাল এর মক্কী হবার ব্যাপারে তাফসীরকারদের মধ্যে কোন মতবিরোধ নেই। কিন্তু মক্কী যুগের কোন সময় এটি নাযিল হয়েছিল তা যথাযথভাবে চিহ্নিত করা কঠিন। তবে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তাঁর ইসলামী দাওয়াতের বিরুদ্ধে আবু লাহাবের যে ভূমিকা এখানে দেখা গেছে তা থেকে আন্দাজ করা যেতে পারে যে , এ সূরাটি এমন যুগে নাযিল হয়ে থাকবে যখন রসূলের (সা) সাথে শত্রুতার ক্ষেত্রে সে সীমা পেরিয়ে গিয়েছিল এবং তার দৃষ্টিভঙ্গী ও কর্মনীতি ইসলামের অগ্রগতির পথে একটি বড় বাধার সৃষ্টি করেছিল। সম্ভবত কুরাইশরা যখন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তাঁর বংশের লোকদেরকে সামাজিকভাবে বয়কট করে তাদের শে’ বে আবু তালেবে ( আবু তালেব গিরিপথ ) অন্তরীণ করেছিল এবং একমাত্র আবু লাহাবই তার বংশের লোকদেরকে পরিত্যাগ করে শত্রুদ...
সূরা আন নসর অর্থ, নামকরণ, শানে নুযূল, পটভূমি ও বিষয়বস্তু

সূরা আন নসর অর্থ, নামকরণ, শানে নুযূল, পটভূমি ও বিষয়বস্তু

আল কুরআন
নামকরণ : প্রথম আয়াত ( আবরী -------------------) এর মধ্যে উল্লেখিত নসর ( আরবী ------) শব্দকে এর নাম হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। নাযিলের সময় - কাল হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) একে কুরআন মজীদের শেষ সূরা হিসেবে উল্লেখ করেছেন । অর্থাৎ এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওপর আর কোন পূর্ণাঙ্গ সূরা নাযিল হয়নি। * ( মুসলিম , নাসায়ী , তাবারানী , ইবনে আবী শাইবা ও ইবনে মারদুইয়া )। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা) বর্ণনা করেছেন , এ সূরাটি বিদায় হজ্জের সময় আইয়ামে তাশরীকের মাঝামাঝি সময় মিনায় নাযিল হয়। এ সূরাটি নাযিল হবার পর রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উটের পিঠে সওয়ার হয়ে বিখ্যাত ভাষণটি দেন। ( তিরমিযী , বায়যাবী , বাইহাকী , ইবনে শাইবা , আবদ ইবনে হুমাইদ , আবু ইয়ালা ও ইবনে মারদুইয়া )। বাইহাকী কিতাবুল হজ্জ অধ্যায়ে হযরত সারাআ বিনতে নাবহানের রেওয়ায়াতের মাধ্যমে রসূলুল্লাহ সাল্লাল্...