Sunday, September 6
Shadow

Author: Islamer Bani

জানাজার নামাজের সম্পূর্ণ নিয়ম ও মাসায়েল

জানাজার নামাজের সম্পূর্ণ নিয়ম ও মাসায়েল

সালাত
জানাজার নামাজের আরকান ১. সক্ষম ব্যক্তিদের দাঁড়িয়ে নামাজ পড়া। ২. চার তাকবীর ৩. সূরা ফাতিহা পড়া৪. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দরুদ পড়া। ৫. মাইয়েতের জন্য দুআ করা ৬. সালাম ফেরানো জানাজার নামাজের সুন্নত ৭. কিরাতের পূর্বে বিসমিল্লাহ বলা। ৮. নিজের জন্য ও মুসলমানদের জন্য দুআ করা। ৯. গোপনে কিরাত পড়া। ১০. কাতার বাড়িয়ে দেয়া। কমপক্ষে তিন কাতার করা। জানাজার নামাজের পদ্ধতি জানাযা নামাযের নিয়ত : শুদ্ধ আরবি জানা না থাকলে জানাযার নামাযসহ যে কোন নামাযের নিয়তই নিজের মাতৃভাষায় করাই উচিত। অর্থ না জেনে অশুদ্ধ আরবিতে নিয়ত করার বিশেষ কোন তাৎপর্য নেই। কেননা নিয়ত তো হল অন্তরের ইচ্ছা ও সংকল্পের নাম। তবু আগ্রহীদের জন্য নিম্নে আরবি নিয়ত উল্লেখ করছি। نَوَيْتُ اَنْ اُوَدِّيْ لِلّٰهِ تَعَالٰى اَرْبَعَ تَكْبِرَاتٍ صَلْوَةِ الْجَنَازَةِ فِرْضِ الْك...
দোয়া ইউনুসের অর্থ, ফজিলত ও নাজিলের ঘটনা।

দোয়া ইউনুসের অর্থ, ফজিলত ও নাজিলের ঘটনা।

জরুরী দোয়া ও আয়াত
হজরত ইউনুস আলাইহিস সালাস আল্লাহর নবী ছিলেন। কোরআনে কারিমের ১০ নম্বর সূরার নামকরণ তার নামে রাখা হয়েছে। তিনি সমুদ্রে নিক্ষিপ্ত হলে একটি প্রকাণ্ড মাছ তাকে গিলে ফেলে। কিন্তু আল্লাহতায়ালার রহমতে ওই মাছ তাকে হজম করতে সমর্থ হয়নি, এমনকি তার দেহের সামান্যতম অংশেও কোনোরূপ ক্ষতের সৃষ্টি করতে পারেনি। সেই মাছের উদর-অন্ধকারে বসে আল্লাহর নবী হজরত ইউনুস (আ.) অত্যন্ত সম্মান, বিনয় ও কাতর স্বরে যে দোয়াটি পড়েছিলেন তা দোয়া ইউনুস নামে বহুল পরিচিত। সেই দোয়াটি হচ্ছে- ‘লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজজলিমীন।’ অর্থ: আপনি ব্যতীত আর কোনো উপাস্য নেই। আমি আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি। অবশ্যই আমি পাপী। -সূরা আল আম্বিয়া: ৮৭ কোরআনে কারিমে হজরত ইউনুস (আ.)-এর নামে যেমন একটি সূরা রয়েছে তেমনি ইউনুস নামটিও অন্ততপক্ষে পাঁচ স্থানে উল্লেখিত হয়েছে। কোরআনে হজরত ইউনুস (আ.) কে ‘যুন্নুন সাহিবুল হূত’ নামে অভিহিত কর...
দোয়া মাছুরা বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ।

দোয়া মাছুরা বাংলা উচ্চারণ ও অর্থ।

জরুরী দোয়া ও আয়াত
দোয়া মাসূরা উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা ইন্নী যালামতু নাফসী যুলমান কাসীরাওঁ ওয়ালা ইয়াগ ফিরুয যুনূবা ইল্লা আন্তা; ফাগফির লী মাগফিরাতাম মিন ইন্দিকা ওয়ার হামনী ইন্নাকা আন্তাল গফুরুর রাহীম।  বাংলা অর্থঃ-হে আল্লাহ্‌! আমি আমার নিজ আত্মার উপর বড়ই অত্যাচার করেছি, গুনাহ মাফকারী একমাত্র আপনিই; অতএব আপনি আপনা হতেই আমাকে সম্পূর্ণ ক্ষমা করুন এবং আমার প্রতি দয়া করুন। নিশ্চয়ই আপনি ক্ষমাশীল দয়ালু। ইংরেজি অর্থঃ-0' Allah! I have tormented myself much. There is none but you to forgive the sins. Therefore you forgive all of my sins. And have pity on me! Certainly you are the Great Forgiver and Benevolent.   নামাজে দোয়া মাসুরা না পড়লে… জিজ্ঞাসা–৭৭৯: আসসালামুআলাইকুম। হযরত। তারাবির নামাযে মুসল্লিরা ইমামের তারাতারি করার কারণে দুয়ায়ে মাসুরা না পড়তে পারলে নামাযের কোন ক্ষতি ...
তায়াম্মুম সম্পর্কে প্রচলিত ১০ টি প্রশ্ন ও উত্তরঃ

তায়াম্মুম সম্পর্কে প্রচলিত ১০ টি প্রশ্ন ও উত্তরঃ

সালাত
তায়াম্মুম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা ও তায়াম্মুম করার পদ্ধতি। পবিত্রতা ও তায়াম্মুম সম্পর্কিত প্রচলিত ১০ টি প্রশ্ন এবং সেই প্রশ্নের উত্তরঃ ইসলাম যে একটি মানব হিতৈষী ধর্ম তাঁর অন্যতম উধাহরন হল তায়াম্মুমের বিধান। মানুষের কষ্ট লাঘবের জন্য মহান আল্লাহ কর্তৃক তাঁর বান্দাদের জন্য এ বিধান দেওয়া হয়েছে। তায়াম্মুমের সঠিক ধারনা না থাকার কারনে আমাদের কাছে শরীয়তের বিধাগুলো কঠিন মনে হয়। তাই আজকে পবিত্রতা ও তায়াম্মুম সম্পর্কিত প্রচলিত ১০ টি প্রশ্ন এবং সেই প্রশ্নের উত্তর আপনাদের সম্মুখে তুলে ধরলাম। এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়েছে “প্রসিদ্ধ ও বড় বড় ফিকহি বোর্ড”। উত্তরের পাশেই তার নাম উল্লেখ করা রয়েছে।   ০১। প্রশ্নঃ তায়াম্মুম করার নিয়ম কি? উত্তরঃ সহজ উপায় হল- একবার উভয় হাতের তালু জমিনের উপর মেরে সমস্ত মুখমন্ডল মাসেহ করবে। ঘড়ি, আংটি, চুড়ি ইত্যাদির জায়গায় ভাল করে মাসেহ করবে। পশম পরিমাণ...
তায়াম্মুমের বিস্তারিত আলোচনা ও করার পদ্ধতি

তায়াম্মুমের বিস্তারিত আলোচনা ও করার পদ্ধতি

সালাত
আলোচ্য বিষয়সমূহঃ তায়াম্মুম কি? তায়াম্মুমের হুকুম, তায়াম্মুম শরীয়তভুক্ত হওয়ার দলিল, তায়াম্মুম শরীয়তভুক্ত হওয়ার হিকমত, তায়াম্মুম করা কখন বৈধ? তায়াম্মুমের বর্ণনা, তায়াম্মুমের ফরজসমুহ, তায়াম্মুমের সুন্নতসমূহ, যেসব কারণে তায়াম্মুম বাতিল হয়ে যায় পবিত্রতা ও তায়াম্মুম সম্পর্কিত প্রচলিত ১০ টি প্রশ্ন এবং সেই প্রশ্নের উত্তরঃ তায়াম্মুমঃ আভিধানিক অর্থে তায়াম্মুম, কোনো বিষয়ের প্রতি ধাবিত হওয়া ও তা করার ইচ্ছা করা শরয়ী পরিভাষায় তায়াম্মু্‌ম, পবিত্রতা অর্জনের উদ্দেশে চেহারা ও দু’হাত পবিত্র মাটি দিয়ে মাসেহ করা। তায়াম্মুমের হুকুমঃ পানির অনুপস্থিতে অথবা পানি ব্যবহার করা অসম্ভব হলে যেসব বিষয়ের জন্য পবিত্রতা ফরজ সেসবের জন্য তায়াম্মুম করা ফরজ। আর যেসবের জন্য পবিত্রতা মুস্তাহাব সেসবের জন্য তায়াম্মুম করা মুস্তাহাব, যেমন কুরআন তিলাওয়াত করা। তায়াম্মুম শরীয়তভুক্ত হওয়ার দলিলঃ ...
তাশাহহুদ এর বাংলা উচ্চারণ, অর্থ, ইতিহাস ও গুরুত্ব।

তাশাহহুদ এর বাংলা উচ্চারণ, অর্থ, ইতিহাস ও গুরুত্ব।

সালাত
 আত্তাহিয়াতু: আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াস্ সালাওয়াতু, ওয়াত্ তাইয়িবাতু। আস্সালামু 'আলাইকা আইয়্যুহান নাবীয়্যু ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। আস্সালামু আলাইনা ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিস্ সলিহীন। আশহাদু আল-লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আননা মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু। অর্থ : আমাদের সকল সালাম শ্রদ্ধা, আমাদের সব নামায এবং সকল প্রকার পবিত্রতা একমাত্র আল্লাহর উদ্দেশ্যে। হে নবী, আপনার প্রতি সালাম, আপনার উপর আল্লাহর রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত হউক। আমাদের এবং আল্লাহর সকল নেক বান্দাদের উপর আল্লাহ্র রহমত এবং অনুগ্রহ বর্ষিত হউক। আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া (ইবাদাতের যোগ্য) আর কেউ নেই, আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, হযরত মুহাম্মাদ সা. আল্লাহর বান্দা এবং রাসূল। নামাজের তাশাহুদে বর্ণিত শবে মেরাজে আল্লাহ ও তাঁর রাছুলের কথোপকথন: ইতিহাস, ব্যাখ্যা গুরুত্ব ও মাসয়ালা তাশাহহুদ (আত্তাহিয়্যাতু...
সূরা ফালাক্ব ও নাস – অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনার সূরা।

সূরা ফালাক্ব ও নাস – অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনার সূরা।

জরুরী দোয়া ও আয়াত
সব ধরনের অনিষ্ট থেকে আশ্রয় প্রার্থনার দুই সূরা পবিত্র কোরআনে কারিমের শেষের দু’টি সূরাকে মুআউবিয়াতায়ন বলে। এ দুই সূরার একটির নাম সূরা ফালাক এবং অন্যটির নাম সূরা নাস। উভয় সূরা মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে। ফালাক ১১৩ নম্বর সূরা, আয়াত ৫টি, রুকু ১টি আর সূরা নাসের আয়াত ৬টি, রুকু ১টি। এই দুই সূরার মাধ্যমে কোরআন শরিফ শেষ করা হয়েছে। এই দুই সূরার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আশ্রয় প্রার্থনার কথা বলা হয়েছে। অর্থা‍ৎ প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য সব ধরনের অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া। আর আল্লাহতায়ালা এই দুই সূরার মাঝে সব অনিষ্ট থেকে হেফাজতের অসীম শক্তি ও প্রভাব রেখেছেন এবং বিভিন্ন হাদিসে এ সূরার ফজিলত উল্লেখ করা হয়েছে। নিচে কিছু ফজিলত উল্লেখ করা হলো। এক. হজরত উকবা ইবনে আমের (রা.) থেকে বর্ণিত, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমার কি জানা নেই আজ রাতে আমার ওপর যে আয়াতগুলো নাজিল হয়েছে এগুলোর ...
নামাজের ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত, মুস্তাহাব, মাকরূহ ও নামাজ ভঙ্গের কারনসমুহ

নামাজের ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত, মুস্তাহাব, মাকরূহ ও নামাজ ভঙ্গের কারনসমুহ

সালাত
নামাজের ফরজসমূহ (আরকান ও আহকাম)ঃ আহকাম ও আরকান মিলিয়ে নামাজের ফরজ মোট ১৩টি। নামাজ শুরু হওয়ার আগে বাইরে যেসব কাজ ফরজ, সেগুলোকে নামাজের আহকাম বলা হয়।  নামাজের আহকাম ৭টি। যথাঃ ১. শরীর পাক হওয়াঃ  এ জন্য অজুর দরকার হলে অজু বা তায়াম্মুম করতে হবে, গোসলের প্রয়োজন হলে গোসল বা তায়াম্মুম করতে হবে। এ প্রসঙ্গে কুরআনে আল্লাহ বলেনঃ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓا۟ إِذَا قُمْتُمْ إِلَى ٱلصَّلَوٰةِ فَٱغْسِلُوا۟ وُجُوهَكُمْ وَأَيْدِيَكُمْ إِلَى ٱلْمَرَافِقِ وَٱمْسَحُوا۟ بِرُءُوسِكُمْ وَأَرْجُلَكُمْ إِلَى ٱلْكَعْبَيْنِ ۚ হে মুমিনগণ, যখন তোমরা সালাতে দণ্ডায়মান হতে চাও, তখন তোমাদের মুখ ও কনুই পর্যন্ত হাত ধৌত কর, মাথা মাসেহ কর এবং টাখনু পর্যন্ত পা (ধৌত কর)।  (সূরা মায়েদাঃ ৬) ২. কাপড় পাক হওয়াঃ  পরনের জামা, পায়জামা, লুঙ্গি, টুপি, শাড়ি ইত্যাদি পাক পবিত্র হওয়া।এ প্রসঙ্গে আল্লাহ বলেনঃ وَثِيَابَكَ فَطَ...
এপ্রিল ফুলের ইতিহাস ও কেন উদযাপন করবেন না।

এপ্রিল ফুলের ইতিহাস ও কেন উদযাপন করবেন না।

জীবন বিধান
মূল: শাইখুল ইসলাম মুফতি তাকী উসমানী অনুবাদ: মাওলানা উমায়ের কোব্বাদী  এপ্রিল ফুল উদযাপন পশ্চিমাদের অন্ধ অয়ানুগত্যের প্রবণতা আমাদের সমাজে যেসব প্রথার প্রচলন ঘটিয়েছে তার অন্যতম হল, এপ্রিল ফুল উদযাপন। এই প্রথার অধীনে এপ্রিলের প্রথম তারিখে মিথ্যা বলে কাউকে ধোঁকা দিয়ে বোকা বানানোকে শুধু বৈধ মনে করা হয় না; বরং একে রীতিমত একটি কৃতিত্ব মনে করা হয়। যে যত বেশি নিপুণ এবং চতুরতাপূর্ণভাবে অন্যজনকে বড় ধোঁকা দিতে পারে তাকে তত অধিক প্রশংসার যোগ্য এবং পহেলা এপ্রিল পালনে, এর আনন্দ উদযাপনে যথাযোগ্য সফল বলে মনে করা হয়! মানুষকে ধোঁকা দেয়ার এই রুচি–যাকে সত্যিকার অর্থে অপরাধ ও কুরুচিপূর্ণ কর্মই বলা উচিত–জানা নেই, এতে কত মানুষের জান-মালে অনর্থক ক্ষতি সাধন হয়। এমনকি এর পরিণামে মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে! ধোঁকা দিয়ে বোকা বানাতে গিয়ে তাকে এমন মর্মবেদনা ও পীড়াদায়ক মিথ্যা দুঃসংবাদ শুনিয়ে দেয়া হয়, য...
নামাজে যেভাবে মনোযোগ ধরে রাখবেন।

নামাজে যেভাবে মনোযোগ ধরে রাখবেন।

সালাত
জিজ্ঞাসা: আমি যখন নামাজ পড়ি তখনই আমার মাথায় বাজে চিন্তা-ভাবনা আসে। যেমন আমি আজ সারাদিন কী করেছি ,কালকে কী করব ইত্যাদি। কাজের কারণ বেশি সময় বাহিরে রাস্তায় চলাচল করে থাকি।তো অনেক কিছুই দেখি নামাজে এইসব কথা মনে পড়ে। অনেক সময় ভুলে যাই কয় রাকাত নামাজ পড়েছি, এসব যাতে মনে না পড়ে সেজন্য আমি কী করতে পারি? জানালে উপকৃত হব।  জবাব: এটা এক তিক্ত বাস্তবতা যে,  আমরা অনেকেই এই রোগের স্বীকার। এক হাদীসে রাসূললুল্লাহ (সাঃ) এটিকে ‘শয়তানের ছিনতাইকম’ বলেছেন। এব্যাপারে ইমাম আবু হামিদ আল গাজালি(রহ.) তাঁর বিখ্যাত ‘এহইয়াউ উলুমিদ্দীন’ গ্রন্থে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। তিনি ছয়টি বিষয়ের কথা বর্ণনা করেন, যা না থাকলে নামাজে  মনোযোগী হওয়া যায় না। প্রথম বিষয় : নামাজে ‘হুজুরে দিল’ বা একাগ্র থাকা ; এটি নামাজের প্রাণ। রাসূললুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ‘আল্লাহর ইবাদত কর এমনভাবে, যেন তাঁকে তুমি দেখতে পাচ্ছ। আর যদি দেখতে ...